জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে বাধা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত হয়েছেন ৫ জন।
গত ১৫/১০/২৫ (বুধবার) ছিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের উত্তর রসুলপুর গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সানজুর মিয়া এবং দিলসুন্দর মিয়া লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন মহিলাসহ ৭জন ।
সংঘর্ষে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতরা হলেন সানজুর মিয়া (৫৫),লায়েক মিয়া (২৮),মোছা: ফুলমালা বেগম(৫০),তোফাজ্জল মিয়া (২০), ছুরাইয়া বেগম(৩০),আরব উল্লাহ (৪৫),লাল মিয়া (৫০)। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সানজুর মিয়া কে, সিলেট ওসমানী হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
আহত সানজুর মিয়া বাদী হয়ে, জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা, তিনি উল্লেখ করেন। আমি ও বিবাদী একই বাড়ীতে পৃথকভাবে বসবাস করি। বিবাদীগণ একদলীয় লাঠিয়াল, উগ্র, ঝগড়াটে, খারাপ প্রকৃতির লোক। বিবাদীদের সাথে আমাদের পূর্ব হইতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। যাহার কারনে বিবাদীগণ প্রায় সময় আমাদের সাথে কারনে অকারনে ঝগড়া করিয়া আমাদেরকে মারপিট করার হুমকী প্রদান করে। বিষয়টি আমি এলাকার গন্যমান্য লোকজনকে জানাইলে বিবাদীগণ আমাদের উপর আরো ক্ষিপ্ত হয়। ঘটনার তারিখ ও সময় অর্থাৎ ১৫/১০/২০২৫খ্রিঃ সকাল অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় আমার ছেলের বউ, ময়না বেগম আমাদের বসত বাড়ীর উঠানে টিউবওয়েলে পানি আনতে গেলে বিবাদীগণ তাহাকে পানি আনতে বাধ্য প্রদান করে। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সকল বিবাদীখন রামদা, লোহার রড, লাঠি সোটা নিয়া শালিরে জানে শেষ করিয়া ফেল। উক্ত হুকুম প্রাপ্ত হইয়া ৬নং বিবাদী মোঃ তামাহার মিয়া-১নং সাক্ষীর চুলে বেআইনী জনতায় মিলিত হইয়া ১নং বিবাদী অন্যান্য বিবাদীদেরকে এই মর্মে হুকুম প্রদান করে যে, সাক্ষীকে লাঠি দিয়া এলোপাতারী মারপিট তাহার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা বেদনাদায়ক ও পড়নের কাপড়ে ধরিয়া টানা হেঁছড়া করে। অশ্লীলতাহানী করে।।
বিবাদীরা হলেন
০১।মোঃ লালন মিয়া (২১), পিতা-মোঃ তাজু মিয়া,
০২। মোঃ দিলসুন্দর মিয়া (৫৫), পিতা-মৃত কালা শাহ,
০৩। মোঃ জামিনুর মিয়া (২২), পিতা-মোঃ শানু মিয়া,
০৪। মোঃ বিলাল মিয়া (২৫), পিতা-মৃত ফয়জুল হক,
০৫। মোঃ রিপন মিয়া (২৭), পিতা-মোঃ দিলসুন্দর,
০৬। মোঃ তামাঙ্গুর মিয়া (২০), পিতা-শাহ নুর মিয়া,
০৭। মোঃ শাহ নুর মিয়া (৫৫), পিতা-মৃত কালা শাহ,
০৮। মোছাঃ তামান্না বেগম (২৪), স্বামী-আলী নূর,
০৯। মোছাঃ দয়ারুন বেগম (৪৫), স্বামী-মোঃ শাহ নুর মিয়া।
Leave a Reply